স্বাস্থ্য নিয়ে টিপস - raselscb

Games

ads
Responsive Ads Here

Post Top Ad

Your Ad Spot

Wednesday, January 13, 2016

স্বাস্থ্য নিয়ে টিপস

|• দ্রুত চুল বৃদ্ধির ৭ টি সিক্রেট যা একই সাথে চুলকে সুন্দর ও আকষনীয় করে •|•

১) নিয়মিত চুল কাটুনঃ
চুলের নিরবচ্ছিন্ন বৃদ্ধি নিশ্চত করতে নিয়ম করে চুলের আগা ট্রিম করুন। প্রতি দুই মাসে অন্তত
একবার চুলের আগা ছাঁটলে চুলের আগা ফাঁটেনা বা চুল ড্যামেজ ও হয়না। তাছাড়া চুলকে সুন্দর একটা সেপ
দিতে হলে নিয়মিত চুল কাটতে হবে।

২) নিয়মিত ব্রাশ করুনঃ
শুধুমাত্র চিরুনি দিয়ে চুল আচড়েলেই চলবেনা। প্রতিদিন অন্তত দশমিনিট চুলে ব্রাশ করুন।
এতে চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায় এবং চুল মজবুত হয়।

৩) প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খানঃ
খাদ্যতালিকায় প্রচুর পরিমাণের প্রোটিন সমৃদ্ধ
খাবার যোগ করুন। ফল-মূল, শাক-সবজী,মাছ, মাংস দুধ ইত্যাদি খেলে প্রচুর পরিমানেকেরাটিন উৎপন্ন
হয় যা চুলের দ্রুতবৃদ্ধি নিশ্চতকরে।

৪) এলোভেরা হেয়ার প্যাকঃ
তিনটি এলোভেরা পাতার extract এর সাথে মধু
মিশিয়ে চুলের গোড়ায় লাগন। ২০ মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া আরোও একটি প্যাক ট্রাই
করতে পারেন। টমেটো ব্লেন্ড করে তার সাথে এলোভেরার নির্জাস ও অলিভ ওয়েল
মিশিয়ে একটু গরম করে চুলের গোড়ায় লাগিয়ে রাখুন। আপনি চাইলে যতক্ষণ ইচ্ছা রাখতে পারেন।
দুটি হেয়ার প্যাকই চুল বৃদ্ধিতেভাল কাজ করে।

৫) বায়োটিনঃ
বায়োটিন পানিতে দ্রবনীয় এক প্রাকারের ভিটামিন B। চুল বৃদ্ধিতে বায়োটিনের ও ভূমিকা আছে তাই
এটাও ট্রাই করে দেখতে পারেন।

৬) নিয়মিত শ্যাম্পু করুনঃ
চুল পরিষ্কার রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত শ্যম্পু করুন। প্রথমে বোতল থেকে হাতের তালুতে শ্যম্পু ঢেলে একটু পানি দিয়ে ঘঁষে তারপর
চুলে লাগান। আংগুল দিয়ে মাথায় বিলি কেটে শ্যাম্পু করুন। তবে খেয়াল রাখবেন কখনোই চুলের গোড়ায় বা মাথার খুলিতে যেন কন্ডিশনার না লাগে কারন কন্ডিশনার ত্বকের জন্য খুব একটা ভালো না।

৭) পরিমিত ঘুমঃ
স্বাস্থ্যবান, দীর্ঘচুলের জন্য প্রয়োজন সুনিদ্রা।
কোষের বৃদ্ধি ও পুনর্জীবনের জন্যপ্রতিদিন ৬
থেকে ৭ ঘন্টা ভালো করেঘুমতে হবে।

জবা ফুল তেলের সাথে চটকিয়ে মাথায় দিন পরে শ্যাম্পু করে ফেলুন।

মোটা হওয়ার উপায়ঃ

এই পেজটি চালিয়ে আর কিছু নাইবা পাই তবুও প্রতিদিন ভক্তদের অসংখ্য অনুরোধ দেখে আমার পেজ চালানোর আগ্রহ আরো বেড়ে যায়। এবারের আপনাদের অনুরোধ ছিল কি করে আপনারা মোটা হবেন। আসুন,কথা না বাড়িয়ে আমরা দেখি কিভাবে আপনি খুব সহজে মোটা এবং চিকন হতে পারেন।

ফিনফিনে পাতলা শরীর কারোই কাম্য নয়। দেখতেও মানানসই নয়। বেশী মোটা কিংবা শুকনা কোনোটাই ভাল নয়; মাঝামাঝি থাকাটাই মঙ্গলময়। স্বাস্থ্য প্রকৃতিগত ভাবে পাওয়া। চাইলেই যদি সব পাওয়া যেত তাহলে ইচ্ছেমত সবাই শরীরটাকে বদলে দিত, তবে হ্যা চর্চার মাধ্যমে সব অসম্ভবকে সম্ভব করা যায়। নিয়মিত অনুশীলন, চেষ্টা ধৈর্য আপনার চাওয়াকে পাওয়াতে পরিণত করবে। যারা খুব শুকনা তারা মোটা হওয়ার উপায়গুলো জেনে নিন।

✒ যদি নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খান এবং রাতের ঘুম ঠিক রাখেন তাহলে আপনি তাড়াতাড়ি আপনার স্বাস্থ্য মোটা করতে পারবেন। না ঘুমাতে পারলে আপনার শরীর ক্যালরী ধরে রাখতে পারে না। রাতে তাড়াতাড়ি খাওয়া শেষ করুন এবং তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ুন।

✒ একটা নিদিষ্ট সময় ধরে খাবেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে এক ঘন্টার মধ্যে সকালের নাস্তা শেষ করুন। সকালে প্রচুর পরিমাণে খেয়ে নিতে পারেন। হ্যাম বার্গার, ভাজা খাবার, চিকেন ব্রেস্ট খেলেও ক্ষতি নেই।

✒ সফ্ট ড্রিংকস্ এবং ফ্যাটি খাবার খেলে স্বাস্থ্য মোটা হয়। এতে হাই-ইন্সুলিন থাকে। ইন্সুলিন হরমোন তৈরি করে। যার সাহায্যে শরীরে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং ফ্যাট জমে। যখন ফ্যাটি ফুডস্ খাবেন তখন পানি পান করুন; সফ্ট ড্রিংকস্ নয়। এমনকি ডায়েট সফ্ট ড্রিংকস্ও নয়। এটা খেলে আপনি ফ্যাটি ফুড খেতে পারবেন না।

✒ এনার্জি ফুড খেলেও আপনি মোটা হবেন। শরীরে যদি এনার্জি ফুড না থাকে তাহলে শরীরে শক্তিই থাকে না মোটা হওয়া তো দূরের কথা। আপনি কখনো ব্যাটারিতে ল্যাপটপ কম্পিউটার চালাতে পারবেন না যদি প্লাগ না দেন। শরীরও তার ব্যতিক্রম নয়।

✒ টেনশনমুক্ত থাকুন। নিয়মিত ব্যায়াম করুন। ব্যায়াম করলে ক্ষুধা বেড়ে যায় টেনশন দূরে করে।

✒ প্রচুর ফল খান। ফল পুষ্টিকর খাবার এতে প্রচুর ক্যালরি পাওয়া যায়। প্রতিদিন ফল এবং ফলের রস খান। ফলের তৈরি বিভিন্ন সিরাপ, কুবিথ, গাম, জ্যাম, জ্যালি খান এতে ফ্যাট আছে যা আপনার স্বাস্থ্য মোটা করবে।

✒ আপনি খুব দ্রুত মোটা হয়ে যাবেন। আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না কিভাবে এত দ্রুত মোটা হওয়া সম্ভব।

Post Top Ad

Your Ad Spot